Stay Home & Stay Safe. We are Fight Together Against CoronaVirus.

করোনাতে ভয় নয় সচেতনতায় হবে জয়


করোনাভাইরাস বাংলাদেশ

223K

Total Confirmed

2,928

Total Deaths

124K

Total Recovered

করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী

16.3M

Total Confirmed

649K

Total Deaths

9.41M

Total Recovered

এলাকা অনুযায়ী আক্রান্তের সংখ্যা মনচিত্র সহ এখানে দেখুন

করোনাভাইরাস

করোনাভাইরাস কী?

করোনাভাইরাস এমন একটি সংক্রামক ভাইরাস - যা এর আগে কখনো মানুষের মধ্যে ছড়ায়নি। সারাবিশ্বে এরই মধ্যে ১৫০টির বেশি দেশে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস, বিশ্বব্যাপী প্রাণহানি হয়েছে ৭ হাজারের বেশি মানুষের। ভাইরাসটির আরেক নাম ২০১৯ - এনসিওভি বা নভেল করোনাভাইরাস। এটি এক ধরণের করোনাভাইরাস। করোনাভাইরাসের অনেক রকম প্রজাতি আছে, কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ছয়টি প্রজাতি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। তবে নতুন ধরণের ভাইরাসের কারণে সেই সংখ্যা এখন থেকে হবে সাতটি।

২০০২ সাল থেকে চীনে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া সার্স (পুরো নাম সিভিয়ার এ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম) নামে যে ভাইরাসের সংক্রমণে পৃথিবীতে ৭৭৪জনের মৃত্যু হয়েছিল আর ৮০৯৮জন সংক্রমিত হয়েছিল। সেটিও ছিল এক ধরণের করোনাভাইরাস। নতুন এই রোগটিকে প্রথমদিকে নানা নামে ডাকা হচ্ছিল, যেমন: 'চায়না ভাইরাস', 'করোনাভাইরাস', '২০১৯ এনকভ', 'নতুন ভাইরাস', 'রহস্য ভাইরাস' ইত্যাদি। এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা রোগটির আনুষ্ঠানিক নাম দেয় কোভিড-১৯ যা 'করোনাভাইরাস ডিজিজ ২০১৯'-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।

করোনাভাইরাসের লক্ষণ

করোনাভাইরাসের কিছু প্রাথমিক লক্ষণ রয়েছে। তবে এই লক্ষণগুলো খুবই সাধারণ। জ্বর, কাশি, শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যাই মূলত প্রধান লক্ষণ। এটি ফুসফুসে আক্রমণ করে। সাধারণত শুষ্ক কাশি ও জ্বরের মাধ্যমেই শুরু হয় উপসর্গ দেখা দেয়, পরে শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা দেখা দেয়। সাধারণত রোগের উপসর্গগুলো প্রকাশ পেতে গড়ে পাঁচদিন সময় নেয়।

  • সর্দি-কাশি
  • গলা ব্যথা
  • নাক দিয়ে পানি পড়া
  • জ্বর
  • শ্বাসকষ্ট
  • মাথা ব্যাথা
  • অবসাদ

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

বার বার হাত ধুইয়ে নিন। সাবান দিয়ে ২০ সেকেন্ড সময় ধরে হাত ভালোভাবে ধুইয়ে নেওয়া।

হাঁচি কাশি দেয়ার সময় টিস্যু ব্যবহার করুন। আক্রান্ত ব্যক্তি হতে দূরত্ব বজায় রাখা, হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখা, হাত ধোয়া, যেখানে-সেখানে কফ কাশি না ফেলা।

সুস্থ ও অসুস্থ অবস্থায় মাস্ক ব্যাবহার করি। বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার করি। নাক ও মুখ মাস্ক দিয়ে ঢেকে ফেলুন এবং মনে রাখবেন, মুখ ও মাস্কের মধ্যে যেন কোনো ফাঁকা স্থান না থাকে।

এই সময় যেকোনো সর্দি–কাশি, জ্বর বা অসুস্থ ব্যক্তির কাছ থেকে অন্তত এক মিটার বা ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন। ইতিমধ্যে আক্রান্ত এমন ব্যক্তিদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। অসুস্থ পশুপাখি থেকে দূরে থাকুন।

নিজেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। ময়লা কাপড় ধুয়ে ফেলুন। বাড়ি ঘড় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন।

কাঁচা মাছ–মাংস ধরার পর ভালো করে সাবান পানি দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন। ভালো করে সেদ্ধ করে রান্না করা খাবার গ্রহণ করুন। অসুস্থ প্রাণী কোনোমতেই খাওয়া যাবে না।

কখন হাত ধুতে হবে ?

(কোভিড-১৯) এর ঝুঁকি রোধে করনীয় :



করোনাভাইরাস সম্পর্কিত প্রশ্ন উত্তর:

কীভাবে ছড়ায়?

এই ভাইরাস একজনের থেকে আরেকজনের মধ্যে ছড়ায়।শারীরিক ঘনিষ্ঠতা এমনকি করমর্দন থেকেও এই রোগ ছড়াতে পারে।রোগী জিনিস ধরার পর ভালো করে হাত না ধুয়ে চোখ, মুখ, ও নাকে হাত দিলে এই রোগ ছড়াতে পারে।হাঁচি-কাশি থেকেও এই রোগ ছড়াতে পারে

কতটা ভয়ংকর এই ভাইরাস?

শ্বাসতন্ত্রের অন্যান্য অসুস্থতার মতো এই ভাইরাসের ক্ষেত্রেও সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা এবং জ্বরসহ হালকা লক্ষণ দেখা দিতে পারে । কিছু মানুষের জন্য এই ভাইরাসের সংক্রমণ মারাত্মক হতে পারে। এর ফলে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট এবং অর্গান বিপর্যয়ের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। তবে খুব কম ক্ষেত্রেই এই রোগ মারাত্মক হয়। এই ভাইরাস সংক্রমণের ফলে বয়স্ক ও আগে থেকে অসুস্থ ব্যক্তিদের মারাত্মকভাবে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

আমার কি মেডিক্যাল মাস্ক পরা উচিত?

করোনা ভাইরাসসহ অন্যান্য রোগের বিস্তার সীমিত পর্যায়ে রাখতে মেডিক্যাল মাস্ক সাহায্য করে। তবে এটার ব্যবহারই এককভাবে সংক্রমণ হ্রাস করতে যথেষ্ঠ নয়। নিয়মিত হাত ধোয়া এবং সম্ভাব্য সংক্রমিত ব্যক্তির সাথে মেলামেশা না করা এই ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি কমানোর সর্বোত্তম উপায়।

শিশুরা কি ঝুঁকিতে?

যে কোন বয়সের মানুষই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। তবে একটি বিষয় লক্ষ্যণীয় যে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। প্রধানত: আগে থেকে অসুস্থ বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ভাইরাস মারাত্মক হতে পারে।তবে শহরাঞ্চলের দরিদ্র শিশুদের ক্ষেত্রে এই ভাইরাসের পরোক্ষ প্রভাব রয়েছে। এসব প্রভাবের মধ্যে রয়েছে বিদ্যালয় বন্ধ থাকা, যা সম্প্রতি মঙ্গোলিয়ায় দেখা গেছে।

রোগটি কোন প্রাণী থেকে এসেছে?

কোনো একটি প্রাণী থেকে এই ভাইরাস মানবদেহে বাসা বেঁধেছে। নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরাস বিশেষজ্ঞ জোনাথন বল বলেছেন, আমরা আগেও দেখেছি, এসব মহামারী যেকোনো প্রাণীর দেহ থেকে এসেছে।

কোন প্রাণী থেকে ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস?

ভাইরাস কোন প্রাণী থেকে এসেছে তা যদি শনাক্ত করা সম্ভব হয়, তবে রোগটি মোকাবেলা করা সম্ভব হবে।করোনাভাইরাসের সঙ্গে সম্পর্ক আছে চীনের উহায়ের দক্ষিণ সমুদ্রের খাবারের পাইকারি বাজারের সঙ্গে।গবেষকরা বলছেন, চীনের হর্সশু নামে একপ্রকার বাঁদুরের সঙ্গে এই ভাইরাসের ঘনিষ্ঠ মিল রয়েছে।

রোগের কোন প্রতিষেধক আছে কী?

এই রোগের কোনো প্রতিষেধক নেই। তবে রোগটির প্রতিষেধক আবিষ্কারের কাজ চলছে। তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা

Ask a Question

Q&A: Ask a Question

আইইডিসিআরকে তথ্য জানাতে এবং পরার্মশ নিতে

ফেসবুক আইডি হলো: https://www.facebook.com/iedcr

ওয়েবসাইট corona.gov.bd

এখানে ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত যেকোনো

ইমেইল আইডি: iedcrcovid19@gmail.com

আইইডিসিআরের প্রধান হটলাইন ৩৩৩ | ১০৬৫৫ | ১৬২৬৩ এছাড়া অপর হটলাইন নম্বরগুলো হলো:

বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন: ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭

০১৯৪৪৩৩৩২২২, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯৩৭১১০০১১, ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৫৫০০৬৪৯০১, ০১৫৫০০৬৪৯০২, ০১৫৫০০৬৪৯০৩, ০১৫৫০০৬৪৯০৪, ০১৫৫০০৬৪৯০৫

আপনি কি করোনা ভাইরাসে ( কোভিড-১৯) আক্রান্ত?

অনলাইনে টেস্ট করতে ভিজিট corona.gov.bd/covid19Test

ক্লিক করুন অনলাইনে টেস্ট করতে ভিজিট testcorona.today


About Developer

Name : Syed Alve Ahad

Facebook ID : Syed Alve Ahad

Email ID : syedalveahad56@gmail.com

Developer at Ahalpha

All Social Media Link Page Check Here

Some Tools : Meta Tag Generator Tool / BMI Calculator